• সমগ্র বাংলা

পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত আইন ও জেন্ডার সংবেদনশীলতার অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত 

  • সমগ্র বাংলা
  • ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ১৮:১৬:১১

ছবিঃ সিএনআই

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের গ্রাম আদালত আইন ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা সম্পর্কে গনমাধ্যম প্রতিনিধিদের সাথে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সন্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

অবহিতকরন সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান, এডিএম সরকার মোঃ রায়হান, গ্রাম আদালত সক্রিয় করন প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর আমির হোসেন, পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওরঙ্গজেব, মিরগড় এলাকার উপকারভোগী  উপস্থিত ছিলেন। 

গ্রাম আদালত আইন ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা, প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের কার্যক্রম,  সাফল্য, স্থানীয় গণমাধ্যমের ভুমিকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। গ্রাম আদালত আরও কিভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয়ের উপরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

পঞ্চগড় জেলার ৫ উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৭ সালের জুলাই মাস হতে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রাম আদালতের কার্যক্রম চলছে। এ পর্যন্ত ১২ হাজার ২শ ৪০ টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে ৫শ ১৩টি মামলা গ্রাম আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। এ মামলাগুলোও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি ডঃ সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ছোট বড় অপরাধ নিরশনের জন্য  গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ সালে গঠিত হয়। এ গ্রাম আদালতে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে আইনজীবী নিয়োগ করতে হয়না। বাদীর কথা বাদী নিজেই বলতে পারে। গ্রাম আদালতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিচারকের প্যানেল করা হয়। এতে বাদী বিবাদীর সদস্যসহ চেয়ারম্যানের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠন করা হয়। এতে বাদীর সময় ও অর্থ দুটিরও অপচয় কম হয়। অল্প খরচে অল্প সময়ের মধ্যেই সঠিক বিচার পাওয়া যায়। বাদী বিবাদী এতে সমান সুবিধা পাবে। যেকোন ব্যক্তি সরাসরি গ্রাম আদালতে গিয়ে তার অভিযোগ জানাতে পারে।

মন্তব্য ( ০)





  • company_logo